ঢাকা , শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬ , ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাষ্ট্রপতিকে উৎসর্গ করে ঠাকুরগাঁওয়ে হাফ ম্যারাথন, দৌড়ের ছন্দে মিলল ৩০ জেলার মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট সময় : ২০২৬-০৮-২৮ ১৬:১১:৫২
রাষ্ট্রপতিকে উৎসর্গ করে ঠাকুরগাঁওয়ে হাফ ম্যারাথন, দৌড়ের ছন্দে মিলল ৩০ জেলার মানুষ রাষ্ট্রপতিকে উৎসর্গ করে ঠাকুরগাঁওয়ে হাফ ম্যারাথন, দৌড়ের ছন্দে মিলল ৩০ জেলার মানুষ
মোঃ আকতারুল ইসলাম আক্তার ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি:


সুস্থতা, সম্প্রীতি ও বন্ধুত্বের বার্তা নিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ঠাকুরগাঁও হাফ ম্যারাথন ২০২৬’। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ভোরে দেশের ৩০ জেলা থেকে আসা দৌড়বিদদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ ম্যারাথন ঘিরে উৎসবমুখর হয়ে ওঠে ঠাকুরগাঁও শহর। ‘সুস্থতা, সম্প্রীতি ও বন্ধুত্বের জয়গানে’—এই প্রত্যয়কে


সামনে রেখে ঠাকুরগাঁও রানার্সের উদ্যোগে হাফ ম্যারাথনটির আয়োজন করা হয়। আয়োজনটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিল মেসার্স গার্ডেনিয়া। আবুল হোসেন সরকার ডিগ্রি কলেজ থেকে সকালে দৌড় শুরু হয়। ভোরের আলো পুরোপুরি ছড়িয়ে পড়ার আগেই দৌড়বিদদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে শহর। কেউ নিজের রেকর্ড ভাঙার প্রত্যয়ে ছুটেছেন, কেউ সুস্থ থাকার বার্তা নিয়ে, আবার কেউ মানুষের সঙ্গে মানুষের বন্ধুত্ব ও সম্প্রীতির বন্ধন তৈরির প্রত্যয়ে অংশ নিয়েছেন। ঢাকা থেকে আসা কিশোরী দৌড়বিদ


জিন্নাথ পারভীন বলেন, “এই ম্যারাথন শুধু একটি প্রতিযোগিতা নয়; এটি একটি জেলার সঙ্গে আরেকটি জেলার এবং একজন মানুষের সঙ্গে আরেকজন মানুষের হৃদয়ের সংযোগ তৈরি করছে।” আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, রাষ্ট্রপতির জেলা হিসেবে ঠাকুরগাঁওয়ের পরিচিতিকে সামনে রেখে এবারের হাফ ম্যারাথনটি রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে উৎসর্গ করা হয়েছে। আয়োজকদের ভাষ্য, সাবেক খেলোয়াড় ও ক্রীড়ামোদী রাষ্ট্রপতির প্রতি সম্মান জানাতেই এ আয়োজন। তরুণ রানার এলিন খান বলেন, “একজন দৌড়বিদের কাছে প্রতিটি কিলোমিটারই নতুন এক চ্যালেঞ্জ। শ্বাস ভারী হয়, পা ক্লান্ত হয়ে আসে, কিন্তু থেমে যাওয়া যায় না। গন্তব্য শুধু ফিনিশিং লাইন নয়, নিজের সীমাবদ্ধতাকে জয় করাও একটি গন্তব্য।”


ম্যারাথনের পাশাপাশি অংশগ্রহণকারীদের সামনে ঠাকুরগাঁওয়ের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তুলে ধরা হয়। আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে দৌড়বিদদের জেলার বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী স্থান ঘুরিয়ে দেখানো হয়। ঠাকুরগাঁও রানার্সের প্রধান পৃষ্ঠপোষক নুর ই শাহাদাত স্বজন বলেন, “আমরা চাই খেলাধুলার মাধ্যমে মানুষকে একত্রিত করতে। রাষ্ট্রপতির জেলা হিসেবে ঠাকুরগাঁওকে সামনে তুলে ধরতে এবং তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করতেই আমাদের এই আয়োজন।” দৌড় প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। পুরস্কার তুলে দেন ইকো-সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও)-এর নির্বাহী পরিচালক ড. শহীদ উজ জামান।


সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, আয়োজক কমিটির সদস্য ও বিভিন্ন জেলা থেকে আসা দৌড়বিদরা উপস্থিত ছিলেন। আয়োজকদের প্রত্যাশা, ভবিষ্যতেও এমন আয়োজনের মাধ্যমে ঠাকুরগাঁওকে দেশের ক্রীড়া ও পর্যটনের মানচিত্রে আরও পরিচিত করা এবং তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করা সম্ভব হবে। রিপোর্ট: মোঃ আকতারুল ইসলাম আক্তার


নিউজটি আপডেট করেছেন : lifestyledesign847@gmail.com

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ